🏛️ সংগঠন পরিচিতি
ম্যানেজমেন্ট অ্যালামনাই এসোসিয়েশন — ফেনী সরকারি কলেজ
আমাদের সম্পর্কে
আমরা ফেনী সরকারী কলেজ ব্যবস্থাপনা বিভাগের (স্নাতক/স্নাতকোত্তর) প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা নিজেদের সম্পর্কের টেকসই উন্নয়নের জন্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সকল ব্যাচের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, বন্ধুত্ব ও ভালোবাসার দৃঢ় বন্ধন স্থাপন, পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা এবং প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো, পাশাপাশি বিভাগের টেকসই উন্নয়ন এবং মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের সহযোগিতা করার উদ্দেশ্যে “ম্যানেজমেন্ট এ্যালামনাই এসোসিয়েশন ফেনী সরকারী কলেজ” নামে একটি প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করি। এই প্ল্যাটফর্মটি ১৮ জুন ২০২৪ ইং তারিখের প্রথম নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির উদ্বোধন থেকে কার্যকর হয়।
নোট: মূলত অষ্টম ব্যাচের মোঃ রফিকুল ইসলাম কিরন এ্যালামনাই উদ্যোগ গ্রহন করেন। ২০১৯ সালে ১২টি ব্যাচের সমন্বয়ে ৮ম ব্যাচের এম সালাউদ্দিন ফিরোজ, ৮ম মোঃ রফিকুল ইসলাম কিরন, চতুর্থ ব্যাচের সাইফুল ইসলাম, দশম ব্যাচের ইকবাল হোসেন এবং ১১তম ব্যাচের নয়ন মজুমদার প্রমূখের নেতৃত্বে একটি আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়। তাদের বিরামহীন যোগাযোগের প্রচেষ্টা দীর্ঘ সময়ে সফলতার দ্বারপ্রান্তে আজকের এই দিনটি। আজকের কমিটি প্রথম নির্বাচিত কমিটি হলেও সংগঠন তাদের এই অক্লান্ত পরিশ্রমের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
এ্যালামনাই প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য
১. জাতীয় ও বিশ্বব্যাপী প্রাক্তন ছাত্রদের মধ্যে পেশাদার এবং সামাজিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা।
২. কর্মজীবন উন্নয়নে ব্যবস্থাপনা বিভাগের স্নাতক সম্মান ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।
৩. ব্যবস্থাপনা বিভাগে মানসম্পন্ন শিক্ষা ও উন্নয়নে সহায়তা ও উৎসাহিত করা।
এ্যালামনাই এসোসিয়েশন লক্ষ্য হল
একটি সফল পেশাদার নেটওয়ার্ক তৈরি করা যা আরও ভাল বন্ধুত্বকে উন্নীত করবে।
প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে আন্তরিক বোঝাপড়া এবং সংগঠনের জন্য তহবিল গঠন করা যা দিয়ে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান/ মিলনমেলার ব্যবস্থা, প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদান
এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ার সুবিধার জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
ইতিহাস
ম্যানেজমেন্ট এ্যালামনাই এসোসিয়েশন এর ইতিহাস
শতবর্ষ পূর্বে দক্ষিণ পূর্ব বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ ফেনী সরকারি কলেজ ১৯২২ সালের ৮ আগস্ট প্রতিষ্ঠা লাভ করে । প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে সুনাম ও সফলতার সাথে অদ্যাবধি দেশের সু-নাগরিক তৈরীতে ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে । শুরুতে উচ্চ মাধ্যমিক পাঠদানের মাধ্যমে পাঠ্যক্রম চালু হয় । ১৯৪৭ সালে স্নাতক এবং ১৯৯৭ সালে অনার্স কোর্স চালু হয় । প্রথম পর্যায়ে ৭(সাত)টি বিষয়ে অনার্স কোর্স যাত্রা শুরু করে । প্রথম পর্যায়ে যে ৭টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হয় তার মধ্যে "ব্যবস্থাপনা বিভাগ অন্যতম একটি । অন্যান্য বিষয়গুলো ছিল- বাংলা, হিসাববিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, গনিত, অর্থনীতি ও সমাজকর্ম । বর্তমানে ১৫ (পনের) টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু রয়েছে ।
১৯৯৭-৯৮ সেশনে প্রথম ব্যাচের মাধ্যমে শুরু করে ২০১৯-২০২০ সেশনের ছাত্র-ছাত্রীগণ অনার্স কোর্স সমাপ্ত করেন । অর্থাৎ বর্তমানে ২৩টি ব্যাচের প্রায় ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) শিক্ষার্থী ব্যবস্থাপনা বিভাগ হতে অনার্স কোর্স সমাপ্ত করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অধিষ্ঠিত রয়েছেন । তাছাড়া অনেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য বহিঃবিশ্বের উন্নত দেশসমূহে গমন করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন । গতানুগতিক প্রক্রিয়ায় সকলে নিজ নিজ কর্মব্যস্ততার কারণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন । এর ফলে একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করার সময় হয়ে ওঠে না । বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে ব্যাচভিত্তিক বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ থাকলেও সমগ্র ডিপার্টমেন্টভিত্তিক সিনিয়র-জুনিয়র সবার মাঝে যোগাযোগ রক্ষা করার সুযোগ কোনোদিন হয়ে ওঠেনি । পারস্পরিক সম্প্রীতিস্থাপন, প্রাতিষ্ঠানিক ও শিক্ষার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও সহায়তা, সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির মহান লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিভিন্ন ব্যাচ নিজেদের মধ্যে একটি সংগঠন গড়ে তোলার প্রচেষ্টা করেছেন ।
প্রতিনিধি সভা
প্রথম ব্যাচের নাজিম উদ্দিন মজুমদার, সাইফুল ইসলাম মজুমদার সোহেল, কাজী আবুল কাশেম আফরোজ, ফারাহ দিবা খানম; দ্বিতীয় ব্যাচের জিয়া উদ্দিন, সানী নাসিরুদ্দীন, সাইফুল ইসলাম লিহন; তৃতীয় ব্যাচের এটিএম হাবীবুর রহমান, লোকমান হোসেন, আতিকুর রহমান, সালাউদ্দিন সুমন, শাহজাহান; চতুর্থ ব্যাচের সাইফুল ইসলাম, রবিউল হক সবুজ; পঞ্চম ব্যাচের কেফায়েত; ষষ্ঠ ব্যাচের নুর আলম স্বপন, মোঃ মনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া; সপ্তম ব্যাচের মীর মোশারফ হোসেন ফরহাদ, তৌহিদুল ইসলাম পলাশ, ফয়সাল হোসেন, আজিমুল ইসলাম; অষ্টম ব্যাচের রফিকুল ইসলাম কিরন, আফতাব, নিজাম, নুরের নবী সোহেল, আজহার রায়হান, প্রনব, ফখরুল, তৌহিদুল ইসলাম রানা, আবদুল কাদের, পারভেজ, শেখ কামাল, ফয়সাল, কামরুন নাহার নাজ; নবম ব্যাচের হোসাইন রশিদ, ইকবাল হোসেন; দশম ব্যাচের জয়নাল আবেদীন বাবু, শাফায়েত জামিল এবং অন্যান্য ব্যাচের আবুল হাসান, মান্নাফ, ডালিম শীল, রাসেল মজুমদার, জিয়াউর রহমান রানা, মোরশেদুল হক জাবেদ, মিশু, সাইফ উদ্দিন নোভেল, তারেক, সাইফুল ইসলাম, সুজন, রিফাত, আশ্রাফ, ইতি, বাবর, দেলোয়ার, ফখরুল ইসলাম পলাশ, রাকিব, অর্ণব, আবু সুফিয়ান নোমান ও অনিকসহ প্রতিনিধিগণ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যাচের বন্ধু-বান্ধবীদের নিয়ে ব্যাচভিত্তিক গেট-টুগেদার করেছেন এবং একটি সংগঠন তৈরী করার প্রয়াস চালিয়েছেন ।
পরবর্তীতে অষ্টম ব্যাচের প্রতিনিধি ও বর্তমান এ্যালমনাই এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম কিরন এর উদ্যোগে ১২টি ব্যাচের প্রতিনিধিদের নিয়ে ২০১৯ সালের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার ছুটিতে পৃথকভাবে দু'টি প্রতিনিধি সভার আয়োজন করা হয় । ঈদুল ফিতর এর প্রতিনিধি সভায় "প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ ফেনী সরকারি কলেজ” নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবনা করা হয় ।
আহবায়ক কমিটি গঠনঈদুল আযহা পরবর্তী ১৪ আগস্ট ২০১৯ ফেনী শহরের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে ব্যাচ প্রতিনিধিদের সভায় সকলের সম্মতিতে ৮ম ব্যাচের ছাত্র সালাউদ্দিন ফিরোজকে আহবায়ক ও মোঃ রফিকুল ইসলাম কিরনকে সদস্য সচিব করে ২৫ (পঁচিশ) সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠিত হয় । আহবায়ক কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন: সাইফুল ইসলাম (২০০০-০১), কেফায়েত উল্যাহ (২০০১-০২), মীর মোশারফ হোসেন ফরহাদ (২০০৩-০৪), পৃথ্বীরাজ নাথ (২০০৪-০৫), হোসাইন রশিদ (২০০৫-০৬), খায়ের উদ্দিন রাহাত, জয়নাল আবেদীন বাবু ও ইকবাল হোসেন (২০০৬-০৭) ,নয়ন চন্দ্র মজুমদার ও আসমা ইয়াসমিন মুন্নী (২০০৭-০৮), ডালিম কুমার শীল, রাসেল মজুমদার (২০০৮-০৯), সৌরভ সাহা (২০০৯-১০) , শহীদুল ইসলাম মিশু (২০১০-১১), সাইফ উদ্দিন নোবেল (২০১১-১২), সাইফুল ইসলাম ও নাজমুন নাহার রিক্তা (২০১২-১৩), রনি দাস ও সালমা জাহান এমি সুমাইয়া আক্তার (২০১৩-১৪) ,আশ্রাফ আলী, ফারজানা ইসলাম ইতি ও নিজাম উদ্দিন রনি (২০১৪-১৫)।
আহবায়ক কমিটির টার্গেট ছিলো প্রথম ব্যাচ হতে শুরু করে যে সকল সেশনের অনার্স কোর্স সম্পন্ন হয়েছে সে সকল ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সদস্য করে চূড়ান্ত একটি কমিটি গঠন করা । এরই ধারাবাহিকতায় আমরা প্রথম ব্যাচের নাজিম উদ্দিন মজুমদার, এ কে এম সাইফুল ইসলাম মজুমদার সোহেল, কাজী আবুল কাশেম আফরোজ, আবু সায়েম, রাশেদুজ্জামান রানা, ফারাহ দিবা খানম; দ্বিতীয় ব্যাচের জিয়া উদ্দিন, সানী নাসিরুদ্দীন, সৌরভ পাটোয়ারী, মনি কুা দাস; তৃতীয় ব্যাচের এটিএম হাবীবুর রহমান, লোকমান হোসেন যোবায়ের; ষষ্ঠ ব্যাচের মোঃ মনোয়ার হোসেন ভূঁইয়াসহ সিনিয়রদেরকে খুঁজে আমাদের সহযোগী হিসেবে পাই । এবং জুনিয়রদের মধ্যে হতে আবুল হাসান (২০০৭-০৮), রিফাত মজুমদার (২০০৮-০৯), জিয়াউর রহমান রানা ও মোরশেদুল হক জাবেদ (২০০৯-১০), তারেকুল ইসলাম তারেক (২০১১-১২), সুজন মাহমুদ (২০১৩-১৪), জহিরুল ইসলাম বাবর ও ফারজানা জেরিন বৃষ্টি (২০১৫-১৬), দেলোয়ার হোসেন (২০১৬-১৭), ফখরুল ইসলাম চৌধুরী পলাশ ও রাকিবুর রহমান (২০১৭-১৮), আবু সুফিয়ান নোমান (২০১৮-১৯) কে সহযোগী হিসাবে পাই । আমরা পৃথক পৃথক ব্যাচের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করি এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে সকল ব্যাচের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করি ।
চূড়ান্ত কমিটি ও আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ
১৮ জুন ২০২৪ ইংরেজি তারিখে উপস্থিত সবার সম্মতিতে "প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ ফেনী সরকারি কলেজ" নাম পরিবর্তন করে "ম্যানেজমেন্ট এ্যালামনাই এসোসিয়েশন ফেনী সরকারি কলেজ" নামক সংগঠনটির নামকরণ করা হয় । অধিকাংশের মতামতের ভিত্তিতে প্রথম ব্যাচের ছাত্র একেএম সাইফুল ইসলাম মজুমদার সোহেল (১৯৯৭-৯৮) কে সভাপতি ও অষ্টম ব্যাচের ছাত্র মোঃ রফিকুল ইসলাম কিরনকে সাধারন সম্পাদক করে ৫১ (একান্ন) সদস্য বিশিষ্ট এ্যালামনাই এসোসিয়েশন এর কার্যকরী কমিটি গঠিত হয় , যাহা পরবর্তী ২ (দুই) বৎসরের জন্য কার্যকর হবে ।
নির্বাচন কমিশনার: কমিটি গঠনের জন্য প্রথম ব্যাচের ছাত্র বিশিষ্ট ব্যাংকার কাজী আবুল কাশেম আফরোজ ও প্রধান শিক্ষিকা ফারাহ দিবা খানম নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন ।
ব্যাচ কো-অর্ডিনেটর কমিটি: প্রতিটি ব্যাচ হতে ১(এক) জন করে প্রতিনিধিদের নিয়ে ২৩ (তেইশ) সদস্য বিশিষ্ট ব্যাচ কো-অর্ডিনেটর কমিটি গঠন করা হয় ।
উপদেষ্টা পরিষদ: ডিপার্টমেন্টের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষকবৃন্দের সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয় ।
ফাউন্ডেশন ও গঠনতন্ত্র কমিটি: দ্বিতীয় ব্যাচের ছাত্র জিয়া উদ্দিনকে সভাপতি করে ৭(সাত) সদস্য বিশিষ্ট ফাউন্ডেশন ও গঠনতন্ত্র কমিটি গঠিত হয় ।
নির্বাহী কমিটি: এ্যালামনাই এসোসিয়েশন এর সভাপতি এ কে এম সাইফুল ইসলাম মজুমদার সোহেলকে সভাপতি করে গঠনতন্ত্রানুসারে ১১ (এগার) সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটি গঠিত হয় ।
পরিশেষে ২২ নভেম্বর ২০২৪ ইংরেজি, রোজ শুক্রবার দিনব্যাপী ফেনী সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে এক জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে সদস্যদের উপস্থিতিতে "ম্যানেজমেন্ট এ্যালামনাই এসোসিয়েশন ফেনী সরকারি কলেজ" আনুষ্ঠানিক পথ চলা শুরু করে ।
সংকলনে: মোঃ রফিকুল ইসলাম কিরন, সাধারন সম্পাদক, ম্যানেজমেন্ট এ্যালামনাই এসোসিয়েশন ফেনী সরকারি কলেজ প্রাক্তন ছাত্র, ৮ম ব্যাচ (সেশন: ২০০৪-২০০৫)
গঠনতন্ত্র
গঠনতন্ত্র
ম্যানেজমেন্ট এ্যালামনাই এসোসিয়েশন ফেনী সরকারি কলেজ
ভূমিকা:
আমরা, ফেনী সরকারি কলেজ ব্যবস্থাপনা বিভাগের (স্নাতক সম্মান/স্নাতকোত্তর) প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা, নিজেদের সম্পর্কের টেকসই উন্নয়নের জন্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সকল ব্যাচের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, বন্ধুত্ব ও ভালবাসার দৃঢ় বন্ধন স্থাপন, পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা এবং প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো, পাশাপাশি বিভাগের টেকসই উন্নয়ন এবং মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের সহযোগিতা করার উদ্দেশ্যে "ম্যানেজমেন্ট এ্যালামনাই এসোসিয়েশন ফেনী সরকারি কলেজ" নামে একটি প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করি। এই সংবিধান ১৮ জুন ২০২৪ ইং তারিখের প্রথম নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির উদ্বোধন থেকে কার্যকর।
নোট: মূলত ৮ম ব্যাচের মোঃ রফিকুল ইসলাম কিরণ এ্যালামনাই গঠনের উদ্যোগ গ্রহন করেন। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে বারটি ব্যাচের সমন্বয়ে ৮ম ব্যাচের এম সালাহউদ্দিন ফিরোজ, ৮ম ব্যাচের মোঃ রফিকুল ইসলাম কিরণ, ৪র্থ ব্যাচের সাইফুল ইসলাম, ১০ম ব্যাচের ইকবাল হোসেন এবং ১১তম ব্যাচের নয়ন মজুমদার প্রমুখের নেতৃত্বে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়। তাদের বিরামহীন যোগাযোগের প্রচেষ্টা দীর্ঘ সময়ে সফলতার দ্বারপ্রান্তে আজকের এই দিনটি। আজকের কমিটি প্রথম নির্বাচিত কমিটি হলেও সংগঠন, তাদের এই অক্লান্ত পরিশ্রমের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।
ধারা-১: সংগঠনের নাম ও ঠিকানা
সেকশন- এ: নাম
সংগঠনটির নাম "ম্যানেজমেন্ট এ্যালামনাই এসোসিয়েশন ফেনী সরকারি কলেজ"।
সেকশন-বি: নিবন্ধিত অফিস
এ্যালামনাই এসোসিয়েশন নিবন্ধিত কার্যালয় হবে ব্যবস্থাপনা বিভাগ ফেনী সরকারি কলেজ, ফেনী-৩৯০০, বাংলাদেশ।
সেকশন-সি: ওয়েব ঠিকানা এবং ই-মেইল ঠিকানা:
এ্যালামনাই এসোসিয়েশন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটি ওয়েব ঠিকানা তৈরি করবে তবে একটি ইমেল ঠিকানা রয়েছে:
managementalumni 18.06.2024@gmail.com/managementalamunifgc@gmail.com
সেকশন ডি: সংজ্ঞা
এই সংবিধানে এবং পারস্পরিক উপ-আইনে ব্যবহৃত হিসাবে, শর্তাবলীর নিম্নলিখিত সংজ্ঞাটি প্রযোজ্য হবে যদি না অন্যথায় নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়:
১. এসোসিয়েশন: "ম্যানেজমেন্ট এ্যালামনাই এসোসিয়েশন, ফেনী সরকারি কলেজ" উল্লেখ করবে।
২. কলেজ: "ফেনী সরকারি কলেজ" উল্লেখ করবে।
৩. প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রী: প্রাক্তন ছাত্র এবং প্রাক্তন ছাত্রী উভয়কেই নির্দেশ করবে।
ধারা-২: উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য
এ্যালামনাই প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্যগুলির ভিত্তিতে বিবেচনা করা হয়:
১. জাতীয় ও বিশ্বব্যাপী প্রাক্তন ছাত্রদের মধ্যে পেশাদার এবং সামাজিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা।
২. কর্মজীবন উন্নয়নে ব্যবস্থাপনা বিভাগের স্নাতক সম্মান ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।
৩. ব্যবস্থাপনা বিভাগে মানসম্পন্ন শিক্ষা ও উন্নয়নে সহায়তা ও উৎসাহিত করা।
এ্যালামনাই এসোসিয়েশন লক্ষ্য হল একটি সফল পেশাদার নেটওয়ার্ক তৈরি করা যা আরও ভাল বন্ধুত্বকে উন্নীত করবে।
প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে আন্তরিক বোঝাপড়া এবং সংগঠনের জন্য তহবিল গঠন করা যা দিয়ে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান/ মিলনমেলার ব্যবস্থা, প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ার সুবিধার জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
ধারা ৩: সদস্যপদ
সেকশন এ: সাধারণ সদস্য
ফেনী সরকারি কলেজ ব্যবস্থাপনা বিভাগে অধ্যয়ন করেছেন তারা সকলেই এই সংগঠনের সদস্য হতে পারবেন। কিন্তু বর্তমানে যারা অধ্যায়নরত অবস্থায় আছেন তারা সদস্য হতে পারবেন না। অধ্যয়ন শেষে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর নির্দিষ্ট ফর্ম ও চাঁদা প্রদান সাপেক্ষে সংগঠনের সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।
সেকশন বি: আজীবন সদস্য
নিবন্ধনকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে একুকালীন চাঁদা জমা প্রদান করে আজীবন সদস্য হতে পারবেন।
সেকশন- সি: সদস্যের অধিকার
এ্যালামনাই এসোসিয়েশন নির্বাচনে সদস্যদের ভোট দেয়ার অধিকার রয়েছে, সাধারণ সভায় সকল ধরনের প্রকাশনা ও নোটিশ পাওয়া এবং এসোসিয়েশনের উন্নতির জন্য নতুন ধারণা, নীতি প্রস্তাব করার ও প্রদত্ত সুবিধাগুলি গ্রহন করার অধিকার রয়েছে। তবে আর্থিক সুবিধা প্রদানের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটির দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
সেকশন-ডি: ফিস
১. সকল সদস্যের জন্য নিবন্ধন ফি হবে ৫০০ টাকা।
২. সাধারণ সদস্যদের জন্য বাৎসরিক চাঁদা বা ফি হবে ১,০০০ টাকা।
৩. আজীবন সদস্যগণ এককালীন ১০,০০০ প্রদান করবেন।
এখানে উল্লেখ্য সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের অনুমোদনের ভিত্তিতে এই হার সময়ে সময়ে পরিবর্তন করা যেতে পারে। এছাড়াও এককালীন জমাকৃত অর্থ স্থায়ী আমানতের ভিত্তিতে সংরক্ষিত থাকবে। এই ধরনের ফান্ড ব্যবস্থাপনায় আলাদা একটি
কমিটি দায়িত্বে থাকবেন।
সেকশন-ই: সদস্য পদ্ধতি
ম্যানেজমেন্ট স্নাতক সম্মান/স্নাতকোত্তর, অনুচ্ছেদ/ধারা ৩, সেকশন এ-তে বর্ণিত, যারা এ্যালামনাই এসোসিয়েশন সদস্য হতে চান তাদের অবশ্যই এসোসিয়েশনের নির্ধারিত ফর্ম ব্যবহার করে বা অনুমোদিত পদ্ধতির মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। জমা দেওয়ার পরে, আবেদনকারী ব্যাচ কো-অর্ডিনেটর এর মাধ্যমে একটি সদস্য প্রাপ্তিতা নিশ্চিতকরণ হবেন, সেইসাথে সনাক্তকরণ নাম্বার জানতে পারবেন। (যদি সম্ভব হয় তবে আই ডি প্রদান করা যেতে পারে)
সেকশন এফ: সদস্যপদ অবসান
নিম্নলিখিত কারণে সদস্যপদ স্থগিত করা যেতে পারে:
পদত্যাগ
* এমন কোন আচরণ যা সম্পূর্ণরূপে সংবিধান লঙ্ঘন করবে।
প্রস্তাবিত বিষয় বা ইভেন্টগুলিতে কার্যনির্রাহী সদস্যদের তিন চতুর্থাংশ বিপক্ষে চলে গেলে।
কোনো সদস্য পরপর ৩ বছর বার্ষিক ফি দিতে ব্যর্থ হন।
ধারা- ৪: সাংগঠনিক কাঠামো
কমিটির সকল সদস্য নির্বাচিত অথবা মনোনীত হবেন বার্ষিক সাধারণ সভার মাধ্যমে। নির্বাহী পরিষদ দুই বছর মেয়াদকাল দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাহী পরিষদের সাথে মিল রেখে অপরাপর কমিটি সমূহ নির্দিষ্ট মেয়াদকালে সমাপ্ত হবে এবং যাত্রা শুরু করবে। তবে প্রতিষ্ঠানের সংকটকালীন সময়ে অথবা যুক্তিসঙ্গত কোন কারণে বার্ষিক সাধারণ সভার আয়োজন সম্ভব না হলে কমিটির মেয়াদ ৩ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত সময় বর্ধিত করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই দুই তৃতীয়াংশ সদস্যদের মতামত গ্রহন করতে হবে।
নির্বাহী কমিটি
নির্বাহী পরিষদ
ব্যাচ সমন্বয়ক
ফাউন্ডেশন এবং সংবিধান সংশোধন কমিটি
উপদেষ্টা পরিষদ
সেকশন-এ: নির্বাহী কমিটি
সমন্বয়কারী, ফাউন্ডেশন কমিটির সভাপতি এবং প্রধান উপদেষ্টা নিয়ে গঠিত হবে। কার্যনির্বাহী কমিটি সভাপতি, সহ-সভাপতি, সচিব/যুগ্ম সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, অফিস সম্পাদক, অন্য একজন সম্পাদক, কার্যনির্বাহী সদস্য, যেকোনো ব্যাচের
কার্যনির্বাহী কমিটি নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত হবে-
সভাপতি -১ জন
ভাইস প্রেসিডেন্ট - ২ জন
সচিব -১ জন
যুগ্ম সচিব - ১ জন
সাংগঠনিক সম্পাদ - ১ জন
কোষাধ্যক্ষ - ১ জন
দপ্তর সম্পাদক - ১ জন
যে কোন ব্যাচ কো-অর্ডিনেটর - ১ জন
ফাউন্ডেশন কমিটির সভাপতি - ১ জন
প্রধান উপদেষ্টা -১ জন
মোট - ১১ জন
দুই বছরের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কমিটি সংগঠনের স্বার্থে সকল ধরনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পাদন করবেন এবং নির্বাহী পরিষদের সভায় সমাপ্ত কার্যসমূহ অনুমোদন করিয়ে নিবেন।
সেকশন- বি: নির্বাহী পরিষদ:
সংগঠনে নির্বাহী পরিষদ কমপক্ষে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট হবে। সংগঠনের প্রয়োজনে ভবিষ্যতে এর সংখ্যা কমবেশি হতে পারে। এ কমিটি বছরে কমপক্ষে দুইবার সভা করবেন, যার মধ্যে একটি বার্ষিক সাধারণ সভা হিসেবে মূল্যায়ন হবে। এই ধরনের সভায় সংগঠনের সকল বিষয় আলোচনা, পর্যালোচনা, সংশোধন, সংযোজন, বিয়োজন, পরিমার্জন এবং সকল বিষয় অনুমোদন করা হবে। ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের সুনির্দিষ্ট কোন পরিকল্পনা থাকলে সেই বিষয়ে বাজেটসহ আলোচনা এবং অনুমোদন করা যেতে পারে।
নির্বাহী পরিষদে নিম্নলিখিত পদ সমূহ বিবেচনা করা যেতে পারেঃ
সভাপতি -১ জন
সিনিয়র সহ-সভাপতি -১ জন
সহ-সভাপতি -৩ জন
সাধারণ সম্পাদক -১ জন
যুগ্ম সাধারন সম্পাদক -২ জন
কোষাধ্যক্ষ -১ জন
সাংগঠনিক সম্পাদক -১ জন
সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক -২ জন
দপ্তর সম্পাদক -১ জন
প্রচার সম্পাদক (ইলেকট্রনিক মিডিয়া) -১ জন
প্রচার সম্পাদক (প্রিন্ট মিডিয়া) -১ জন
প্রচার সম্পাদক (সোশ্যাল মিডিয়া ) -১ জন
প্রকাশনা সম্পাদক -১ জন
সাহিত্য সম্পাদক -১ জন
ক্রীড়া সম্পাদক -১ জন
সাংস্কৃতিক সম্পাদক -১ জন
মহিলা সম্পাদক -১ জন
ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক -১ জন
ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক -১ জন
তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক -১ জন
আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক -১ জন
সমাজ কল্যাণ সম্পাদক -১ জন
আপ্যায়ন সম্পাদক -১ জন
সহ-কোষাধ্যক্ষ -১ জন
সহ-দপ্তর সম্পাদক -১ জন
সহ-প্রকাশনা সম্পাদক -১ জন
সহ-সাহিত্য সম্পাদক -১ জন
সহ-ক্রীড়া সম্পাদক -১ জন
সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক -১ জন
সহ- মহিলা সম্পাদক -১ জন
সহ-ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক -১ জন
সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক -১ জন
সহ- তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক -১ জন
সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক - ২ জন
সহ-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক -১ জন
সহ-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক (ব্লাড) -১ জন
সহ-আপ্যায়ন সম্পাদক -৪ জন
নির্বাহী সদস্য -৬ জন
সর্বমোট -৫১ জন
সেকশন-সি: ব্যাচ কোঅর্ডিনেটর
প্রত্যেক ব্যাচের সাথে যোগাযোগ স্থাপন, চাঁদা সংগ্রহসহ সকল কাজে দ্রুততম সময়ে যোগাযোগ সহজলভ্য করার সুবিধার্থে একজন করে ব্যাচ কোঅর্ডিনেটর মনোনীত করা হবে।
সেকশন-ডি: ফাউন্ডেশন ফান্ড এবং সংবিধান সংশোধন কমিটি:
সংগঠনের ভবিষ্যৎ প্রয়োজনে ফাউন্ডেশন ফান্ড নামে এক ধরনের তহবিল সংগ্রহ করা যেতে পারে এবং ভবিষ্যতে সংগঠনের প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জন করার প্রয়োজন হতে পারে সেক্ষেত্রে প্রাক্তন সভাপতিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি কাজ করবে। সংগঠনের প্রারম্ভিক পর্যায়ে সভাপতির পাশাপাশি এক বা দুইজনের সংযুক্তি সাপেক্ষে এই কমিটির কার্যক্রম পরিচালিত করলেও ভবিষ্যতে এই কমিটিতে শুধুমাত্র প্রাক্তন সভাপতিবৃন্দ থাকবেন।
সংগঠনের আজীবন সদস্যের ফি বাবদ সংগ্রহকৃত অর্থ, সংবিধানের ধারা ৩ এর সেকশন ডি (৩) অনুযায়ী এই কমিটির তত্ত্বাবধানে থাকবে। এছাড়াও এই কমিটি নির্বাহী পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে এই ধরনের ফান্ডকে আরো বেশি সমৃদ্ধ করতে পারবেন যা শুধুমাত্র সংগঠনের কিংবা সংগঠনেরসদস্যদের কল্যাণে ব্যবহার করা যেতে পারে বা যাবে। এই ফান্ড এর অর্থ অন্য কোন কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
সেকশন-ই: উপদেষ্টা পরিষদ:
ফেনী সরকারি কলেজ ব্যবস্থাপনা বিভাগের বর্তমান এবং প্রাক্তন শিক্ষক মন্ডলীর মধ্য থেকে উপদেষ্টা মন্ডলী নির্ধারণ বা নির্বাচন করা হবে। এক্ষেত্রে এ কমিটির সদস্য ৭ থেকে ১১ সদস্য বিশিষ্ট হতে পারে।
সেকশন- এফ: কমিটি সমূহের মেয়াদ:
সংগঠনের নির্বাহী পরিষদের সময়কাল দুই বছর থাকবে। এই কমিটির মেয়াদের সাথে সাথে অপরূপর সকল কমিটির মেয়াদ যুক্ত হবে কিংবা সমাপ্তি ঘটবে। এখানে উল্লেখ্য, কোন ধরনের দুর্যোগ কিংবা ক্রান্তিকাল উপলব্ধি হলে কমিটির মেয়াদ ধারা-৪ মোতাবেক
তিন থেকে ছয় মাস বর্ধিত করা যেতে পারে।
সেকশন-জি: নির্বাহী পরিষদের কার্যপ্রণালী:
সংগঠনের সকল প্রকার প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কার্যাবলী পরিচালনা, কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে নির্বাহী পরিষদের সকল ক্ষমতা থাকবে।
সংগঠনের বিশেষ বা বড় কোন আয়োজন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নির্বাহী পরিষদ এক বা একাধিক উপ কমিটি গঠন করতে পারবেন।
* গঠনতন্ত্রে উল্লেখিত বিষয়ে কোন প্রকার জটিলতা দেখা দিলে নির্বাহী পরিষদ সংবিধান কমিটির সাথে পরামর্শ ক্রমে প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন কিংবা ব্যাখ্যা প্রদান করবেন।
গঠনতন্ত্র, সমাজ ও রাষ্ট্র বিরোধীকাজে সংগঠনের কোনো সদস্য যদি জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে সেক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে প্রথমে সদস্য পদ স্থগিত এবং প্রমাণ সাপেক্ষে সংগঠনের সদস্য পদ থেকে বহিস্কারের ক্ষমতা নির্বাহী পরিষদ সংরক্ষণ করবেন।
নির্বাহী পরিষদের মেয়াদ শেষ হলে পরবর্তী কমিটি গঠনকল্পে নির্বাচন কমিশন গঠন
করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করবেন।
সেকশন- এইচ: দায়িত্ব ও কর্তব্য:
কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যরা নির্বাচিত বা মনোনীত হবেন। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো যে কোন ধরণের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে সময়কাল বাড়ানো যেতে পারে।
সভাপতিঃ সভাপতির দায়িত্ব হবে-
পরিষদের সকল সভা ও অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন এবং কার্যনির্বাহী কমিটি বা কাউন্সিলের চেয়ারপারসন হিসাবে দায়িত্ব পালন করা।
এসোসিয়েশনের কার্যকারিতার জন্য যেকোন বিশেষ কর্মকর্তা, স্থায়ী কমিটি, প্রোগ্রাম কমিটি নিয়োগ করন।
এসোসিয়েশনের উল্লিখিত উদ্দেশ্য এবং কার্যনির্বাহী কমিটি বা কাউন্সিলের কার্যাবলী সম্পর্কিত বিষয়ে বছরে অন্তত একবার উপদেষ্টা পরিষদের সাথে দেখা করবেন।
সিনিয়র সহ-সভাপতি/সহ-সভাপতি: সিনিয়র সহ-সভাপতি/সহ-সভাপতির দায়িত্ব হবে-
সভাপতির ইচ্ছা অনুযায়ী সভাপতিকে তার দায়িত্ব পালনে সহায়তা করবেন।
সভাপতির অনুপস্থিতি বা অক্ষমতার ক্ষেত্রে, সহ-সভাপতি (জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে) সভাপতির সমস্ত দায়িত্ব পালন করবেন।
সাধারণ সম্পাদক: সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব হবে-
সমস্ত কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা এবং বার্ষিক সাধারণ সভার কার্যবিবরণী রেকর্ড করবেন।
এসোসিয়েশনের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য ক্রমাগত উদ্যোগ নিবেন।
এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তহবিল সংগ্রহ এবং অন্যান্য উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য চিঠি প্রদান।
কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক সকল ব্যয় সমুহের পূর্ব অনুমোদোন নিবেন অথবা পরবর্তীর্তে অনুমোদন করিয়ে নিবেন।
যুগ্ম সম্পাদক, সাংস্কৃতিক ও সাংগঠনিক সম্পাদক এবং অন্যান্য কমিটির সকল কার্যক্রম ও দায়িত্ব সমন্বয় করবেন।
যুগ্ম সচিব: যুগ্ম সচিবের দায়িত্ব হবে-
সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করবেন।
সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে বা অক্ষমতার ক্ষেত্রে, যুগ্ম সম্পাদক সাধারণ সম্পাদকের সমস্ত দায়িত্ব পালন করবেন।
সদস্যপদ উন্নয়ন এবং সদস্য ও তাদের পরিবারের কল্যাণের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
কোষাধ্যক্ষ: কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব হবে-
এসোসিয়েশনের তহবিল নিরীক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
প্রাপ্তি এবং বিতরণের সঠিক রেকর্ড যথাযথভাবে সংরক্ষণ করবেন।
বার্ষিক সাধারণ সভায় একটি বার্ষিক আর্থিক বিবরণী এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদন জমা দিবেন।
কোষাধ্যক্ষ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং জ্ঞাতও থাকবেন। হিসাবের চেক বই সংরক্ষণ করবেন এবং সভাপতি অথবা সচিবের অনুমোদন স্বাক্ষর গ্রহণ করবেন।
সাংগঠনিক সম্পাদকঃ সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব হবে-
নতুন সদস্যর জন্য সমস্ত আবেদন যাচাই-বাছাই এবং নিয়ম অনুযায়ী এই ধরনের আবেদন গ্রহণের সুপারিশ করবেন।
সাধারণ সম্পাদকের সাথে সমন্বয় করে প্রাক্তন ছাত্রদের কার্যক্রম পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের করবেন এবং প্রাক্তন ছাত্রদের ম্যাগাজিন, নিউজলেটার, ওয়েবসাইট, সদস্যদের ডিরেক্টরি, সামাজিক মিডিয়া উপস্থিতি ইত্যাদি মুদ্রণ ও প্রকাশনায় সহায়তা করবেন।
অন্যান্য সেক্রেটারিগণ: অন্যান্য সেক্রেটারিগণের দায়িত্ব হবে-
কমিটির পূর্বানুমতি নিয়ে ভ্রমণ, পিকনিক এবং অন্যান্য অনুরূপ অনুষ্ঠান সহ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ও আয়োজন করবে।
প্রধান উপদেষ্টা: প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব হবে-
* সংগঠন এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগের যোগাযোগ সমন্বয়সাধন করবেন।
* ভবিষ্যতে সংগঠনের স্বার্থে যে কোন উদ্যোগে কমিটিকে চিন্তাশীল পরামর্শ প্রদান করবেন।
* ম্যানেজমেন্ট এ্যালামনাই এসোসিয়েশন ফেনী সরকারি কলেজ যে কোন আয়োজনের জন্য নির্ধারিত কর্মসূচির সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ও পরামর্শ প্রদান করবেন।
কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যঃ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যের দায়িত্ব হবে-
* তারা সকল সদস্যদের জন্য পদাধিকারীদের সহযোগিতায় কাজ করবে। যেকোন নির্বাহী কমিটির সদস্য যে কোন উপ-কমিটি ফর্মে কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বারা কো-অপ্ট করা যেতে পারে।
উপ-কমিটির সদস্যরা: উপ-কমিটির সদস্যের দায়িত্ব হবে-
সাব-কমিটির সদস্যরা সভাপতির নির্দেশিত দায়িত্ব পালন করবেন।
নির্বাহী কমিটি: নির্বাহী কমিটির কাজ হবে-
সংগঠনের দৈনন্দিন কার্যাবলী সম্পাদনকল্পে এক্সিকিউটিভ কমিটির বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। সংগঠন পরিচালনায় ক্ষণে ক্ষণে নানা ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হয়
যা তাৎক্ষণিক নির্বাহী পরিষদের সভা আহবান করার সময় থাকে না এমতাবস্থায় নির্বাহী কমিটি সকল কার্যকার্যের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন এবং পরবর্তীতে নির্বাহী পরিষদের সভায় ব্যাখ্যা প্রদান করবেন।
ব্যাচ সমন্বয়কারী: ব্যাচ সমন্বয়কারীর কাজ হবে-
সংগঠনের সকল ধরনের যোগাযোগ দ্রুততম সময়ে সম্পাদন জরুরী সিদ্ধান্ত গ্রহণ তহবিল সংগ্রহ সহ যাবতীয় কাজের সমন্বয় ব্যাচ সমন্বয়কারীদের মাধ্যমে সম্পাদন হবে এবং সদস্য বৃদ্ধি করার জন্য ভূমিকা পালণ করবেন।
সেকশন-আই: নির্বাচন:
কার্যনির্বাহী কমিটি বা কাউন্সিল এ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সাধারণ সদস্যদের দ্বারা বার্ষিক সাধারণ সভায় দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হবে। কোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কারণে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত করতে অক্ষম হলে, বিদ্যমান কমিটি কার্যক্রম চালিয়ে যাবে, তবে বার্ষিক সাধারণ সভার বিষয় অগ্রাধীকার ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হবে।
১. নির্বাচনের তারিখের কমপক্ষে দুই মাস আগে একজন নির্বাচন কমিশনার (প্রাক্তন নির্বাহী কমিটির কোষাধ্যক্ষ) এবং কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নিযুক্ত দুই সদস্যের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন এই নির্বাচন পরিচালনা করবে। নির্বাচন কমিশনের
সদস্যদের নির্বাচন করা হবে সংগঠনের সদস্যদের মধ্য থেকে যারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান না।
২. কোনো ভোট বাতিল বা নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের সংরক্ষিত থাকবে। কোনো পদের জন্য টাই হলে, প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করতে নির্বাচন কমিশন টস করবে।
৩. নির্বাচনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে যে কোনো ব্যক্তিকে এ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সদস্য হতে হবে এবং তার চাঁদা এবং এসোসিয়েশনের অন্যান্য পাওনা নির্বাচনের বছরের শেষ পর্যন্ত পরিশোধ করতে হবে।
৪. নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনের কমপক্ষে ৩০ দিন আগে ম্যানেজমেন্ট এ্যালামনাই এসোসিয়েশন ফেনী সরকারি কলেজের সকল যোগ্য সদস্যদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক যে কোনো যোগ্য সদস্যকে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে যথাযথভাবে পূরণ করে মনোনয়নপত্র জমা নিতে হবে এবং যার তালিকা নির্বাচনের তারিখের কমপক্ষে ১০ দিন আগে প্রকাশ করবেন।
৫. মনোনয়নপত্রের সাথে সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পদের জন্য ২,০০০ (দুই হাজার) টাকা এবং অন্যান্য সম্পাদকীয় ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদের জন্য ১,০০০ (এক হাজার) টাকার রশিদ দিতে হবে। এই অর্থ অফেরতযোগ্য হিসাবে বিবেচিত হবে এবং অফিসে নগদ পরিশোধ করতে হবে।
৬. নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের কমপক্ষে এক মাস আগে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ উল্লেখ করে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করবে। যাচাই-বাছাই, বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ, নির্বাচনের সময়, ভোট দেওয়ার পদ্ধতি এবং নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করবে।
সেকশন- জে: মিটিং
এসোসিয়েশনের সকল সভায় সভাপতি সভাপতিত্ব করবেন। কোন বিশেষ কারণে সভাপতি অনুপস্থিত থাকলে সহ-সভাপতিদের মধ্যে হতে একজন সভাপতিত্ব করবেন। এক্সিকিউটিভকমিটির সভায় সর্বনিম্ন ৫ সদস্য উপস্থিত থাকলেই কোরাম পূর্ণ হবে এবং এক্সিকিউটিভপরিষদের সভায় এক তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিত থাকলে সভারকোরাম পূর্ণ হবে।
সেকশন কে: স্পেশাল মিটিং:
সংগঠনের বিশেষ করে প্রয়োজনে কিংবা বড় অনুষ্ঠান বা মিলন মেলা আয়োজনের একাধিক বিশেষ সভার আয়োজন করা যেতে পারে সেক্ষেত্রে অবশ্যই ৭ দিন পূর্বে সবার নোটিশ প্রদান করতে হবে।
সেকশন এল: অডিট:
এসোসিয়েশন প্রত্যেক বছরই একটি বার্ষিক সাধারণ সভার আয়োজন করবে। উক্ত আয়োজনে সংগঠনের ফিন্যান্স কমিটি একটি আন্ত নিরীক্ষা কমিটি গঠন করবেন। উক্ত নিরীক্ষা কমিটির মাধ্যমে এক বছরের একটি অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে এবং পাশ করার ব্যবস্থা করা হবে। যদি কোন প্রকার হিসাব অসংলগ্ন মনে হয় সে ক্ষেত্রে দেশের প্রচলিত নিরীক্ষা অফিস কর্তৃক নিরীক্ষা প্রতিবেদন আনায়ন বা প্রণয়ন করা যেতে পারে।
ধারা- ৫: উপদেষ্টা পরিষদ:
সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদ নির্বাহী পরিষদের পাশাপাশি দুই বছর মেয়াদে গঠিত হবে। এ ধরণের পরিষদ ৩.৫ অথবা ৭ সদস্য বিশিষ্ট হতে পারে। উপদেষ্টা পরিষদ নির্বাহী পরিষদ কে বিভিন্ন কার্যকার্যে পরামর্শ প্রদান করে থাকবেন। সংগঠনের জরুরী মুহূর্তে অভিভাবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ থাকবেন।
ধারা-৬: তহবিল:
* সদস্যদের মধ্যে থেকে চাঁদা সংগ্রহ, ডোনেশন গ্রহণের মাধ্যমে সংগঠনের তহবিল সংগ্রহ করা যাবে।
বিভিন্ন ধরনের প্রকাশনা, নিউজ পেপার প্রকাশনা এবং সকল ধরনের প্রকাশনায় বিজ্ঞাপন গ্রহণের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করা যেতে পারে।
বিভিন্ন ধরনের পেশাগত দক্ষতার প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমেও তহবিল সংগ্রহ করা যেতে পারে।
ধারা- ৭: সংশোধন:
সংবিধানে কোন প্রকার সংশোধন প্রয়োজন মনে করলে এসোসিয়েশনের সদস্যগণ এটি যাচাই-বাছাই করনের জন্য সংবিধান সংশোধনের কমিটিতে পাঠাবেন। উপযুক্ত বিষয় সংশোধন সাপেক্ষে সাধারণ পরিষদের অথবা সদস্যদের সভায় তিন চতুর্থাংশ ভোটে সংবিধান সংশোধন করা যাবে।
এ কে এম সাইফুল ইসলাম মজুমদার মোঃ রফিকুল ইসলাম কিরন দিদারুল আলম ভূঁইয়া
সভাপতি সাধারন সম্পাদক চেয়ারম্যান, গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কমিটি
যোগাযোগ
এই বিভাগের তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে।